এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না- নবারুণ ভট্টাচার্য
যে পিতা সন্তানের লাশ শনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি- যে ভাই এখনও নির্লজ্জ স্বাভাবিক হয়ে আছে আমি […]
যে পিতা সন্তানের লাশ শনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি- যে ভাই এখনও নির্লজ্জ স্বাভাবিক হয়ে আছে আমি […]
তারপর যে-তে যে-তে যে-তে এক নদীর সঙ্গে দেখা। পায়ে তার ঘুঙুর বাঁধা পরনে উড়ু-উড়ু ঢেউয়ের নীল ঘাগরা। সে নদীর দুদিকে
ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো। ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো। ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা। ভালো
স্ত্রী- ওগো শুনছো? কিগো শুনছো? যায় না কানে কথা? সকাল থেকে বলছি আমার ভীষণ কোমর ব্যথা৷ কী আক্কেলের মানুষ তুমি!
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যে-কোনো রাস্তায় যে-কোনো লোককে ডেকে বলো, তুমি আমার বাল্যকালের খেলার
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর। যে মোরে করিল
কথা ছিলো একটি পতাকা পেলে আমি আর লিখবো না বেদনার অঙ্কুরিত কষ্টের কবিতা কথা ছিলো একটি পতাকা পেলে ভজন গায়িকা
তোমার জন্য ভাবি না তুমি তোমার ছেলেকে অহোরাত্রি অসংখ্য মিথ্যার বিষ গলিয়েছ। শৈশবে সে হাসেনি, কেননা সমবয়সীদের সে শত্রু বলে
এইবার ছুটি পেয়ে- কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশ কখন কীভাবে লিখেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। যতদূর জানাগেছে, এই কবিতাটি
কবি শুভ দাশগুপ্ত। পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় কবি, গীতিকার ও নাট্যকার। তাঁর জন্ম ১৯৫১ সালে। আবৃত্তি শিল্পীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় শুভ দাশগুপ্ত।